ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিডব্লিউওটি’র দাবি: দেশে ৭-১০ এপ্রিল  সক্রিয় হতে পারে বৃষ্টিবলয় ‘গর্জন’

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

দেশের আকাশে ‘গর্জন’ নামের একটি বৃষ্টিবলয় প্রবেশ করতে পারে বলে দাবি করেছে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী সংঘ বিডব্লিউওটি।

বিডব্লিউওটি তাদের ফেসবুক পেইজে দেওয়া একটি পোস্টে জানায়, ‘গর্জন’ নামের এই বৃষ্টিবলয়টি ৭ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গর্জনচলাকালীন একটানা ভারী বর্ষণ বা বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই।তবে কালবৈশাখী তীব্র বজ্রপাতের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

​এসময় দেশের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি বেগে বেশ কয়েকটি কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে ও মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার বজ্রপাত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশের কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এসময় উত্তর বঙ্গোপসাগর সামান্য উত্তাল হতে পারে। এই ৪ দিনে দেশের বিভিন্ন বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা ও পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকা সিলেট বিভাগে প্রায় ৩ দিনে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল বিভাগেও প্রায় ৩ দিনে গড়ে ২৫ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঝারি সক্রিয় থাকা ঢাকা, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ২ দিনে গড়ে ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রায় ২ থেকে ৩ দিনে গড়ে ২৫ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় থাকা রাজশাহী বিভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হবে সবচেয়ে কম, ১ থেকে ২ দিনে সেখানে গড়ে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টি বলয়টি চলার সময় দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ আংশিক থেকে শুরু করে পুরোটাই মেঘলা থাকতে পারে। বৃষ্টিহীন সময়ে কোথাও কোথাও কিছুটা ভ্যাপসা গরম পড়তে পারে, তবে সার্বিকভাবে দেশের আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

​সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই বৃষ্টির ফলে দেশের প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ এলাকায় চলতি ফসলের পানি সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে, যা কৃষকদের জন্য বেশ উপকারী হবে। তবে প্রাকৃতিক কারণে এই সময়সূচি ও তীব্রতা কিছুটা হ্রাস-বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিডব্লিউওটি’র দাবি: দেশে ৭-১০ এপ্রিল  সক্রিয় হতে পারে বৃষ্টিবলয় ‘গর্জন’

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশের আকাশে ‘গর্জন’ নামের একটি বৃষ্টিবলয় প্রবেশ করতে পারে বলে দাবি করেছে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী সংঘ বিডব্লিউওটি।

বিডব্লিউওটি তাদের ফেসবুক পেইজে দেওয়া একটি পোস্টে জানায়, ‘গর্জন’ নামের এই বৃষ্টিবলয়টি ৭ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গর্জনচলাকালীন একটানা ভারী বর্ষণ বা বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই।তবে কালবৈশাখী তীব্র বজ্রপাতের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

​এসময় দেশের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি বেগে বেশ কয়েকটি কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে ও মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার বজ্রপাত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশের কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এসময় উত্তর বঙ্গোপসাগর সামান্য উত্তাল হতে পারে। এই ৪ দিনে দেশের বিভিন্ন বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা ও পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকা সিলেট বিভাগে প্রায় ৩ দিনে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল বিভাগেও প্রায় ৩ দিনে গড়ে ২৫ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঝারি সক্রিয় থাকা ঢাকা, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ২ দিনে গড়ে ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রায় ২ থেকে ৩ দিনে গড়ে ২৫ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় থাকা রাজশাহী বিভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হবে সবচেয়ে কম, ১ থেকে ২ দিনে সেখানে গড়ে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টি বলয়টি চলার সময় দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ আংশিক থেকে শুরু করে পুরোটাই মেঘলা থাকতে পারে। বৃষ্টিহীন সময়ে কোথাও কোথাও কিছুটা ভ্যাপসা গরম পড়তে পারে, তবে সার্বিকভাবে দেশের আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

​সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই বৃষ্টির ফলে দেশের প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ এলাকায় চলতি ফসলের পানি সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে, যা কৃষকদের জন্য বেশ উপকারী হবে। তবে প্রাকৃতিক কারণে এই সময়সূচি ও তীব্রতা কিছুটা হ্রাস-বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।