ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫ জরুরি সেবা চালাতে বাড়তি জ্বালানি চাওয়া হয়েছে-আইসিইউ-ওটির মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের হাসপাতালগুলোতে জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে বাড়তি জ্বালানি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ এমন একটা জিনিস, সারা বিশ্বব্যাপী এটা নাড়া দিয়েছে। কারণ বিশ্ব চলছে তেলে, সেই জ্বালানি তেল যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকে…আমাদের কোথায় কোথায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ প্রয়োজন—ওতে (অপারেশন থিয়েটার) দরকার, আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) দরকার, সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) দরকার, বেবি কেয়ার ওয়ার্ডে দরকার, লেবার রুমে দরকার।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বাড়তি মজুত রাখার জন্য আমরা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ করেছি। আমরা জন্য সেই মজুত রাখা হবে। এরপরও যদি জ্বালানি সংকট হয়, ডিজেলের মজুত বাড়িয়ে আমরা জেনারেটর রাখছি। দুটি করে বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইট টানা হচ্ছে, একটি লাইনে না পেলে যেন আরেকটি থেকে অন্তত ওই পাঁচটি রুমে আমরা বিদ্যুৎ দিতে পারি।’

হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘যাতে বিদ্যুতের ঘাটতিটা কম হয়। যাতে করে জেনারেটরের ওপর আমাদের নির্ভরশীল না হতে হয়।’

হিলিয়াম গ্যাসের কোনো অসুবিধা নাই, পর্যাপ্ত মজুত আছে বলেও জানান তিনি। এরপরও আমরা প্রস্তুত আছি। অন্য মাধ্যমে আমদানি করার ব্যবস্থা রেখেছি, আমরা কাজ শুরু করেছি।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫ জরুরি সেবা চালাতে বাড়তি জ্বালানি চাওয়া হয়েছে-আইসিইউ-ওটির মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের হাসপাতালগুলোতে জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে বাড়তি জ্বালানি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ এমন একটা জিনিস, সারা বিশ্বব্যাপী এটা নাড়া দিয়েছে। কারণ বিশ্ব চলছে তেলে, সেই জ্বালানি তেল যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকে…আমাদের কোথায় কোথায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ প্রয়োজন—ওতে (অপারেশন থিয়েটার) দরকার, আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) দরকার, সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) দরকার, বেবি কেয়ার ওয়ার্ডে দরকার, লেবার রুমে দরকার।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বাড়তি মজুত রাখার জন্য আমরা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ করেছি। আমরা জন্য সেই মজুত রাখা হবে। এরপরও যদি জ্বালানি সংকট হয়, ডিজেলের মজুত বাড়িয়ে আমরা জেনারেটর রাখছি। দুটি করে বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইট টানা হচ্ছে, একটি লাইনে না পেলে যেন আরেকটি থেকে অন্তত ওই পাঁচটি রুমে আমরা বিদ্যুৎ দিতে পারি।’

হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘যাতে বিদ্যুতের ঘাটতিটা কম হয়। যাতে করে জেনারেটরের ওপর আমাদের নির্ভরশীল না হতে হয়।’

হিলিয়াম গ্যাসের কোনো অসুবিধা নাই, পর্যাপ্ত মজুত আছে বলেও জানান তিনি। এরপরও আমরা প্রস্তুত আছি। অন্য মাধ্যমে আমদানি করার ব্যবস্থা রেখেছি, আমরা কাজ শুরু করেছি।