ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনা বিজ্ঞানীরা প্রায় ত্রুটিহীন ঘড়ি উদ্ভাবন করেছেন

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা সময় পরিমাপের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন অপটিক্যাল ক্লকের মাধ্যমে। এই অত্যাধুনিক ঘড়িগুলো আধুনিক প্রযুক্তি যেমন স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশন, টেলিযোগাযোগ এবং নিখুঁত পরিমাপ ব্যবস্থায় অত্যন্ত নির্ভুল সময়ের রেফারেন্স প্রদান করছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যাটেলাইট নেভিগেশন অ্যান্ড পজিশনিং টেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারের অধ্যাপক চেন জিহুয়ার নেতৃত্বে একটি দল ঘড়িটি উদ্ভাবন করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চ্যাংজিয়াং ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘড়িটি এতটাই নিখুঁত যে প্রতি ৩০ হাজার বছরে এটি মাত্র এক সেকেন্ড সময় হারাতে পারে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ডিভাইসের আয়তন মাত্র ২ দশমিক ৩ ঘন সেন্টিমিটার, যা একটি আঙুলের নখের সমান। এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি মডেলগুলোর তুলনায় সাত গুণ ছোট।

অধ্যাপক চেন বলেন, ‘প্রচলিত পারমাণবিক ঘড়িগুলোকে ছোট করলেও সেগুলোর আয়তন কয়েকশ ঘন সেন্টিমিটার এবং বিদ্যুৎ খরচ কয়েক ওয়াট পর্যন্ত হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ১৭ ঘন সেন্টিমিটারের একটি ঘড়ি তৈরি করলেও আমাদেরটি তার চেয়ে অনেক ছোট হয়েও সমমানের পারফরম্যান্স দিচ্ছে।’

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে অপটিক্যাল ক্লকের আরও উন্নয়ন প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চীনা বিজ্ঞানীরা প্রায় ত্রুটিহীন ঘড়ি উদ্ভাবন করেছেন

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা সময় পরিমাপের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন অপটিক্যাল ক্লকের মাধ্যমে। এই অত্যাধুনিক ঘড়িগুলো আধুনিক প্রযুক্তি যেমন স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশন, টেলিযোগাযোগ এবং নিখুঁত পরিমাপ ব্যবস্থায় অত্যন্ত নির্ভুল সময়ের রেফারেন্স প্রদান করছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যাটেলাইট নেভিগেশন অ্যান্ড পজিশনিং টেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারের অধ্যাপক চেন জিহুয়ার নেতৃত্বে একটি দল ঘড়িটি উদ্ভাবন করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চ্যাংজিয়াং ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘড়িটি এতটাই নিখুঁত যে প্রতি ৩০ হাজার বছরে এটি মাত্র এক সেকেন্ড সময় হারাতে পারে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ডিভাইসের আয়তন মাত্র ২ দশমিক ৩ ঘন সেন্টিমিটার, যা একটি আঙুলের নখের সমান। এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি মডেলগুলোর তুলনায় সাত গুণ ছোট।

অধ্যাপক চেন বলেন, ‘প্রচলিত পারমাণবিক ঘড়িগুলোকে ছোট করলেও সেগুলোর আয়তন কয়েকশ ঘন সেন্টিমিটার এবং বিদ্যুৎ খরচ কয়েক ওয়াট পর্যন্ত হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ১৭ ঘন সেন্টিমিটারের একটি ঘড়ি তৈরি করলেও আমাদেরটি তার চেয়ে অনেক ছোট হয়েও সমমানের পারফরম্যান্স দিচ্ছে।’

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে অপটিক্যাল ক্লকের আরও উন্নয়ন প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।