ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ প্রচলিত সালামিতে টাকা নয়, শিশুদের হাতে দেওয়া হলো গাছের চারা

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রচলিত সালামির বদলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শিশুদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে। পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫০ শিশুকে দেওয়া হয় দেবদারু গাছের চারা।

শনিবার (২১ মার্চ) কামারখন্দ উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট শেখপাড়া এলাকায় ‘পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালা’র উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।

উদ্যোগটির নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুল ইসলাম (পলাশ), যিনি পেশায় একজন ব্যাংকার এবং এলাকায় বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২২ সালে বৃক্ষরোপণে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জনসহ কৃষিতে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন।

মাহবুবুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সালামি মানেই টাকা—এই প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আমরা শিশুদের হাতে পরিবেশবান্ধব উপহার তুলে দিতে চেয়েছি।” তিনি মনে করেন, গাছ শুধু একটি উপহার নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টিকে থাকার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের অন্তত তিনটি করে গাছ লাগানো উচিত। ঈদের দিন নিজেও একটি বিরল প্রজাতির ‘বুদ্ধা নারিকেল’ গাছ রোপণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এ উদ্যোগে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। শিক্ষার্থী কাওসার আহমেদ জানায়, গাছ পেয়ে সে খুব খুশি এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ দেখতে চায়। আরেক শিক্ষার্থী জিহাদ হোসেন বলে, “গাছ আমাদের জীবন বাঁচায়। এই গাছ আমি বাড়ির আঙিনায় লাগাব।”

উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঈদ প্রচলিত সালামিতে টাকা নয়, শিশুদের হাতে দেওয়া হলো গাছের চারা

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

প্রচলিত সালামির বদলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শিশুদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে। পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫০ শিশুকে দেওয়া হয় দেবদারু গাছের চারা।

শনিবার (২১ মার্চ) কামারখন্দ উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট শেখপাড়া এলাকায় ‘পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালা’র উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।

উদ্যোগটির নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুল ইসলাম (পলাশ), যিনি পেশায় একজন ব্যাংকার এবং এলাকায় বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২২ সালে বৃক্ষরোপণে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জনসহ কৃষিতে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন।

মাহবুবুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সালামি মানেই টাকা—এই প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আমরা শিশুদের হাতে পরিবেশবান্ধব উপহার তুলে দিতে চেয়েছি।” তিনি মনে করেন, গাছ শুধু একটি উপহার নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টিকে থাকার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের অন্তত তিনটি করে গাছ লাগানো উচিত। ঈদের দিন নিজেও একটি বিরল প্রজাতির ‘বুদ্ধা নারিকেল’ গাছ রোপণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এ উদ্যোগে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। শিক্ষার্থী কাওসার আহমেদ জানায়, গাছ পেয়ে সে খুব খুশি এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ দেখতে চায়। আরেক শিক্ষার্থী জিহাদ হোসেন বলে, “গাছ আমাদের জীবন বাঁচায়। এই গাছ আমি বাড়ির আঙিনায় লাগাব।”

উদ্যোক্তারা বলছেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।