চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রবাহী দুটি বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।
শনিবার (৯ মে) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চুনতির ফোর সিজন রেস্টুরেন্ট-সংলগ্ন এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা রেহেনা বেগম (৬৫), ঝিনাইদহের গোপালপুরের বাসিন্দা নাঈমুল ইসলাম জিহান (২৩), একই এলাকার মো. নাঈম (২১) ও ভোলার বাসিন্দা মনির আহমেদ (২০)।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে মারা যাওয়া যাত্রীর নাম রেহেনা বেগম। তিনি পটিয়া উপজেলার বদিউল আলমের স্ত্রী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে নাঈম জিহাদের। তার বাড়ি ঝিনাইদহে। নিহত অপর দুজন হলেন—মো. নাঈম ও মো. মনির। তাদের মধ্যে নাঈমের বাড়ি ঝিনাইদহ এবং মনিরের বাড়ি ভোলায়।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাস দুটির একটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিল। অন্যটি কক্সবাজার থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে রওনা দেয়। লোহাগাড়ার চুনতি এলাকায় বাস দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পূর্ব পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা দেয়। অন্য বাসটিও মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা একটি দোকানে ঢুকে যায় এবং এরপর একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এ সময় মালামালের ক্ষতি হলেও দোকানের ভেতরে থাকা কেউ হতাহত হননি। দুর্ঘটনায় বাস দুটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ খান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছয়জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
লোহাগাড়ার চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্বাস আলী বলেন, দুর্ঘটনায় ২০-২৫ জনের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করেন।