• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
Headline
দেশে এসে ১১ বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না আরিফ গাজীর দেশে ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় তৃতীয় ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন সিঙ্গাপুরে -আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে- কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট সিনেমা হল খোলা থাকবে সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধ হলেও ‘জয় বাংলা স্লোগান’তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে, আটক একাধিক নেতাকর্মী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপর জুলুম করা হচ্ছে: জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়:ভোটার তালিকা বিতর্ক (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা বুধবার তোফায়েল আহমেদ মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত

হাসপাতালের বেডে এসএসসি পরীক্ষা দিল কেয়া

প্রিন্ট নিউজ : / ১৭ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

একদিকে সদ্য অপারেশনের যন্ত্রণা, অন্যদিকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এসএসসি পরীক্ষা। শারীরিক অসুস্থতা তাকে থামাতে পারেনি। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর প্রশাসনের মানবিক সহযোগিতায় হাসপাতালের বেডে বসেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে হবিগঞ্জের শাম্মী আক্তার কেয়া। সে হবিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের শামীম আহমেদের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে হঠাৎ তীব্র অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় ছটফট করতে থাকে কেয়া। দ্রুত তাকে হবিগঞ্জের মাদার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা জরুরি অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। অপারেশন সফল হলেও শারীরিক অবস্থা এতটাই দুর্বল ছিল যে পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু থেমে যেতে চায়নি কেয়া। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষাটি দেওয়ার প্রবল ইচ্ছা থেকে পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ বরাবর হাসপাতালে বসে পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করা হয়।

আবেদন পাওয়ার পরই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেন জেলা প্রশাসক। তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ দাশকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে রোববার মাদার কেয়ার হাসপাতালের বেডে, হাতে চিকিৎসার স্যালাইন ও শরীরে ক্যাথেটার নিয়েই পরীক্ষার খাতায় লিখতে বসে কেয়া। অপারেশনের ব্যথা ভুলে ভবিষ্যতের স্বপ্ন আঁকতে থাকা এই শিক্ষার্থীকে দেখে হাসপাতালজুড়েই তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ।

এ সময় পরীক্ষার পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. সাইম। মেয়ের এমন অদম্য মানসিক শক্তি এবং প্রশাসনের সহানুভূতিশীল উদ্যোগে আবেগাপ্লুত কেয়ার বাবা শামীম আহমেদ। তিনি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ ও কেন্দ্র সচিব বিশ্বজিৎ দাশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা