• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
দেশে এসে ১১ বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না আরিফ গাজীর দেশে ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় তৃতীয় ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন সিঙ্গাপুরে -আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে- কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট সিনেমা হল খোলা থাকবে সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধ হলেও ‘জয় বাংলা স্লোগান’তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে, আটক একাধিক নেতাকর্মী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপর জুলুম করা হচ্ছে: জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়:ভোটার তালিকা বিতর্ক (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা বুধবার তোফায়েল আহমেদ মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত

কুরবানির ঈদের গরুর হাটে সুস্থ পশু চেনার উপায় জানুন

প্রিন্ট নিউজ : / ২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

কুরবানির ঈদের সময় বা এর কিছুদিন আগে থেকেই গরুর হাটে পশু অসুস্থ হওয়া কিংবা মারা যাওয়ার বহু নজির আছে। মূলত পরিপূর্ণ সুস্থ না থাকলেই পশুর নানারকম সমস্যা এমনকি মারা যেতেও দেখা যায়।
তাই আমাদেরকে জানতে হবে কিভাবে আমরা সুস্থ পশু নির্ধারণ করব। কারণ কুরবানির পশু সুস্থ না হলে বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পশু কেনার আগে প্রথমেই আচরণ ও শারীরিক অবস্থা খেয়াল করা প্রয়োজন। সুস্থ পশু সচল ও চঞ্চল থাকে, কান ও লেজ নাড়ায় এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করে। চোখ পরিষ্কার ও উজ্জ্বল, নাক হালকা ভেজা এবং শরীরের লোম মসৃণ ও চকচকে থাকা ভালো স্বাস্থ্যের লক্ষণ। শরীরে ঘা, ক্ষত, চুলকানি বা পোকা থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি পশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।
গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে নিয়মিত জাবর কাটা সুস্থতার বড় একটি লক্ষণ। সাধারণত অসুস্থ পশু কম জাবর কাটে বা একেবারেই কাটে না। তাই পশু কেনার সময় কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তার স্বাভাবিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করা ভালো।
কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা পশুর শরীর অনেক সময় অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকে। এসব পশুর হাঁটাচলায় দুর্বলতা, হাঁপানো কিংবা অতিরিক্ত টানটান ও চকচকে চামড়া দেখা যেতে পারে। অনেক সময় শরীরে ইনজেকশনের দাগও থাকে। তার মতে, এ ধরনের পশুর মাংস দীর্ঘদিন খেলে মানুষের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, কিডনি ও লিভারের সমস্যা, হজমের জটিলতা এবং অ্যালার্জির মতো নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ট্রাক বা নৌকায় অতিরিক্ত গাদাগাদি করে পশু পরিবহন করলে আঘাত, শ্বাসকষ্ট, পানিশূন্যতা ও মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বাসের ডিকি বা ছোট বক্সে ছাগল-ভেড়া বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে পর্যাপ্ত বাতাস না পেয়ে পশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
এ ছাড়া দীর্ঘ সময় হাটে দাঁড়িয়ে থাকলেও পশুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এতে তারা ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে যায়, খাবারে অনীহা দেখা দেয় এবং মাংসের গুণগত মানও কমে যেতে পারে।
কুরবানির আগে পশুকে পরিষ্কার পানি, ঘাস, খড়, ভুসি ও স্বাভাবিক দানাদার খাবার দিতে হবে। হঠাৎ অতিরিক্ত বা অপরিচিত খাবার না দেওয়াই ভালো। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও স্বাভাবিক খাদ্য পশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
হাটে কোনো পশু অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ভিড় ও রোদ থেকে সরিয়ে শান্ত স্থানে রাখতে হবে এবং পরিষ্কার পানি দিতে হবে। নিজে থেকে ওষুধ প্রয়োগ না করে নিবন্ধিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
কুরবানির ঈদে সুস্থ পশু নির্বাচন এবং পশুর প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। সামান্য সচেতনতাই নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করার পাশাপাশি পশুর অপ্রয়োজনীয় কষ্টও অনেকটা কমাতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা