• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
দেশে এসে ১১ বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না আরিফ গাজীর দেশে ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় তৃতীয় ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন সিঙ্গাপুরে -আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে- কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট সিনেমা হল খোলা থাকবে সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধ হলেও ‘জয় বাংলা স্লোগান’তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে, আটক একাধিক নেতাকর্মী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপর জুলুম করা হচ্ছে: জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়:ভোটার তালিকা বিতর্ক (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা বুধবার তোফায়েল আহমেদ মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত

আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ দেশের চা শিল্প সমন্বিত উদ্যোগে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সম্ভব

প্রিন্ট নিউজ : / ১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক চা-দিবস। চা বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং হাজার বছরের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিল্পটির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় ৪০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা। এটি দেশের অনন্য ও সংবেদনশীল কৃষিশিল্প। কিন্তু যথাযথ যত্ন ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এই শিল্পটি এখনো খুঁড়িয়ে চলছে। তবে চা-বাগান সংশ্লিষ্টরদের দাবি, এই শিল্পটি দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম।
বর্তমানে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রামের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় জেলায় সমতল ভূমিতে ক্ষুদ্র পরিসরে চা-চাষ এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছে। সিলেটের তিন জেলায় ১৩৫টি চা-বাগানের মধ্যে মৌলভীবাজারে ৯২, হবিগঞ্জে ২৪ ও সিলেটে ১৯টি। সারা দেশে লক্ষাধিক চা-শ্রমিক কাজ করছেন। এসব বাগান থেকে উত্পাদিত চায়ের বড় একটি অংশ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটায়। সামান্য কিছু পরিমাণ চা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পরিচিতি ধরে রেখেছে।

অনেক বাগানমালিক বলেছেন, উত্পাদন খরচের সঙ্গে চায়ের নিলাম মূল্যে অসামঞ্জস্য থাকায় অনেক সময় লোকসান গুনতে হয়। তারা জানান, বাগান মালিকরা ব্যাংক ঋণে জর্জরিত। সুদের হার অত্যধিক থাকায় ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। শ্রমিকদের মজুরি নিয়মিত পরিশোধ হচ্ছে না। ফলে বাগান নিয়ে তারা বিপাকে। এই অবস্থায় দেশের চা-শিল্প চরম সংকটে।
চা-বাগান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে হলে চায়ের উত্পাদন খরচ কমানো এবং গুণমান বৃদ্ধি এবং বাগানমালিক ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ সার, কীটনাশক ও সেচ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে চা উৎপাদনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা সম্ভব। সরকার, চা-বাগান মালিক, শ্রমিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এ দেশে চা-শিল্পের বিশাল প্রসার ঘটানো সম্ভব।

চা-শিল্পের উত্তরণ ঘটাতে বাগান মালিকরা চা-শিল্পকে কৃষি খাতে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া চা-বাগান খাতে ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের সুদের হার ৯ ভাগ থেকে ২ ভাগে আনা, অনাদায়ি ঋণ সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া, চায়ের ওপর ভ্যাট কমানোর দাবি চা-বাগান মালিকদের। এছাড়াও, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টিরও দাবি জানান তারা। তারা বলছেন, চা-বোর্ড প্রতি কেজি চায়ের সর্বনিম্ন মূল্য ২৪৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, এটির ওপর জোর মনিটরিং প্রয়োজন।
বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের নর্থ সিলেট ভ্যালির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট ব্রাঞ্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট নোমান হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘রপ্তানিমুখী এই পণ্যকে রক্ষা করতে চা-বাগানগুলোকে কৃষি পণ্য হিসেবে গণ্য করে ব্যাংক ঋণে সুদের হার নামিয়ে আনতে হবে। গ্যাস বিদ্যুত্সহ কিছু সমস্যার আশু প্রয়োজন।’
সূত্র জানায়, শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট কম মূল্যে বাগান কিনে চোরাই ও নিম্নমানের চা কিনে প্যাকেটিং করে চড়া দামে বাজারজাত করতে চায়। এতে দেশে চায়ের গুণমান হারাবে, ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা