• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
Headline
দেশে এসে ১১ বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না আরিফ গাজীর দেশে ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় তৃতীয় ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন সিঙ্গাপুরে -আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে- কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট সিনেমা হল খোলা থাকবে সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধ হলেও ‘জয় বাংলা স্লোগান’তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে, আটক একাধিক নেতাকর্মী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপর জুলুম করা হচ্ছে: জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়:ভোটার তালিকা বিতর্ক (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা বুধবার তোফায়েল আহমেদ মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন রক্তপাত যেন না হয়, আমাদের মূল লক্ষ্য সেটাই: সিইসি

প্রিন্ট নিউজ : / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

দেশে আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সহিংসতা ও প্রাণহানি ঠেকানো। তার ভাষায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সিইসি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস।
সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন বিশাল দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন, ৫০০ উপজেলা, ৬১ জেলা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং ৩৩০টি পৌরসভার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
তিনি বলেন, “গণতন্ত্র শুধু জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, এটি তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি জনগণকে সেবা দেয়, তাই তৃণমূলের গণতন্ত্র আরও গুরুত্বপূর্ণ।”
স্থানীয় নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের সমমানের মানদণ্ডে আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের চেষ্টার কোনও ঘাটতি থাকবে না।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে অতীতের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে সিইসি জানান, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হন। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের সময় ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ও প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশের পুরোনো বাস্তবতা।
তার ভাষায়, “লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনে মারামারি থামাতে হবে। এই জিনিস থামানোই বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা কোনও রক্তপাত চাই না।”
সহিংসতা এড়াতে নির্বাচন কমিশন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাবে বলেও জানান সিইসি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলসহ সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করে একটি শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করা হবে।
রাজনৈতিক সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সব পক্ষের সহযোগিতা নিয়েই সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করবে নির্বাচন কমিশন। তার মতে, “কোনও ধরনের রক্তপাত যেন না হয়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা