ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে:অভিনেত্রী  দীপা খন্দকার

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকএটা আমাদেরই গল্পএখন সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে আলোচনার তুঙ্গে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নাটকটির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পর্দায় নিজের চরিত্র নিয়ে কথা বলেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। 

নাটকটিতে ‘ফাতেমা’ নামক ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা।

দর্শকের এই প্রতীক্ষা ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যখন এসেছিলেন তখন আমি বলেছিলাম যে, মানুষ ফ্যামিলি গল্প দেখতে চায় বা ওয়েট করে ফ্যামিলি গল্পের জন্য। কতটুকু ওয়েট করে এখন আমার চেয়ে অনেক ভালো আপনারা বলতে পারবেন।

কোনো নাটকের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে লাস্ট ২০-২৫ বছরে, আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এবং একটা সময় দেখা যায় যে আমাদের এত কথা শুনতে হয় যে কেন আসছে না কেন আসছে না! মানে এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন মানুষের ভেতরের যে তারা এত অল্পতে তাদের মন ভরছে না। তারা মনে করছে যে প্রতিদিন দেখতে পারলে তাদের ভালো লাগবে।

নাটকটির এমন অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দীপা এর কৃতিত্ব দিয়েছেন নির্মাতা রাজকে।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, এটা যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে গিয়ে নাড়া দেবে সেটা আসলে আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা শুরু করেছিলাম মনে করে আমাদের চেষ্টা ছিল যে আমরা মানুষের ভালো লাগার জন্য কিছু করব। সেটা যে এত বেশি হয়ে যাবে ভালো লাগাটা এটা আমরা আসলে আশা করিনি। এটার জন্য আমি বলব যে সবার আগে তো রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। রাজ এভাবে চিন্তা করেছে এবং আমাদের দর্শকদের কাছে আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ যে আপনারা আমাদেরকে এই জায়গায় আপনারা স্থান দিয়েছেন।

পর্দায় তার অভিনীত চরিত্রটি বাস্তব জীবনেও এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে বলে জানান দীপা খন্দকার।

ব্যক্তিগত জীবনের এক আক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক ভালো লাগাটা আসলে আমি জানি না আর কখনো এই জায়গায় পৌঁছাতে পারব কি না বা এইরকম ভাবে আপনাদেরকে নাড়া দিতে পারব কি না। এইরকম একটা কমেন্ট আমি সব সময় পাই। আমার ফেসবুক ভরে যায় সমস্ত কমেন্টে। এইরকম কমেন্ট পাই যে এইরকম ফুপু যেন সব বাসায় থাকে সবার জীবনে থাকে। তো আজকে একটা কথা বলি যে আমার যেহেতু ভাই নাই আমি আমার জীবনে কখনোই ফুপু হতে পারব না বা পারিনি। সেই ফুপুটা রাজ আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে। মানে এটা আসলে অনেক অনেক বড় ব্যাপার।

বর্তমানে ৪৬টি পর্ব প্রকাশিত হওয়া এই নাটকে দীপা খন্দকারের স্বামী চরিত্রে অভিনয় করছেন ইন্তেখাব দিনার। সামির ও তার স্ত্রীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের সহযোগিতায় এই দম্পতির এগিয়ে আসা নাটকের গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমেও দীপা খন্দকার তার এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।

 

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে:অভিনেত্রী  দীপা খন্দকার

আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকএটা আমাদেরই গল্পএখন সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে আলোচনার তুঙ্গে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নাটকটির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পর্দায় নিজের চরিত্র নিয়ে কথা বলেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। 

নাটকটিতে ‘ফাতেমা’ নামক ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা।

দর্শকের এই প্রতীক্ষা ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যখন এসেছিলেন তখন আমি বলেছিলাম যে, মানুষ ফ্যামিলি গল্প দেখতে চায় বা ওয়েট করে ফ্যামিলি গল্পের জন্য। কতটুকু ওয়েট করে এখন আমার চেয়ে অনেক ভালো আপনারা বলতে পারবেন।

কোনো নাটকের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে লাস্ট ২০-২৫ বছরে, আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এবং একটা সময় দেখা যায় যে আমাদের এত কথা শুনতে হয় যে কেন আসছে না কেন আসছে না! মানে এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন মানুষের ভেতরের যে তারা এত অল্পতে তাদের মন ভরছে না। তারা মনে করছে যে প্রতিদিন দেখতে পারলে তাদের ভালো লাগবে।

নাটকটির এমন অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দীপা এর কৃতিত্ব দিয়েছেন নির্মাতা রাজকে।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, এটা যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে গিয়ে নাড়া দেবে সেটা আসলে আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা শুরু করেছিলাম মনে করে আমাদের চেষ্টা ছিল যে আমরা মানুষের ভালো লাগার জন্য কিছু করব। সেটা যে এত বেশি হয়ে যাবে ভালো লাগাটা এটা আমরা আসলে আশা করিনি। এটার জন্য আমি বলব যে সবার আগে তো রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। রাজ এভাবে চিন্তা করেছে এবং আমাদের দর্শকদের কাছে আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ যে আপনারা আমাদেরকে এই জায়গায় আপনারা স্থান দিয়েছেন।

পর্দায় তার অভিনীত চরিত্রটি বাস্তব জীবনেও এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে বলে জানান দীপা খন্দকার।

ব্যক্তিগত জীবনের এক আক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক ভালো লাগাটা আসলে আমি জানি না আর কখনো এই জায়গায় পৌঁছাতে পারব কি না বা এইরকম ভাবে আপনাদেরকে নাড়া দিতে পারব কি না। এইরকম একটা কমেন্ট আমি সব সময় পাই। আমার ফেসবুক ভরে যায় সমস্ত কমেন্টে। এইরকম কমেন্ট পাই যে এইরকম ফুপু যেন সব বাসায় থাকে সবার জীবনে থাকে। তো আজকে একটা কথা বলি যে আমার যেহেতু ভাই নাই আমি আমার জীবনে কখনোই ফুপু হতে পারব না বা পারিনি। সেই ফুপুটা রাজ আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে। মানে এটা আসলে অনেক অনেক বড় ব্যাপার।

বর্তমানে ৪৬টি পর্ব প্রকাশিত হওয়া এই নাটকে দীপা খন্দকারের স্বামী চরিত্রে অভিনয় করছেন ইন্তেখাব দিনার। সামির ও তার স্ত্রীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের সহযোগিতায় এই দম্পতির এগিয়ে আসা নাটকের গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমেও দীপা খন্দকার তার এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।