ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুনরায় হরমুজ প্রণালি  চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো: স্টারমার

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যুক্তরাজ্য বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

স্টারমার বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হওয়া উচিত এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকা উচিত। এই নীতির ভিত্তিতে দেশগুলোর একটি জোট গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের সবার স্বার্থে জরুরি। কারণ ইরানের যুদ্ধ যা ঘটছে, তা আমাদের প্রত্যেকের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ কারণেই দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দরকার, সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় দরকার, পাশাপাশি কিছু সামরিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। আজ আমরা সেটিই করতে একত্র হচ্ছি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাকরন প্রায় ৪০টি দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক মিশন গঠন করা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুনরায় হরমুজ প্রণালি  চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো: স্টারমার

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যুক্তরাজ্য বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

স্টারমার বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হওয়া উচিত এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকা উচিত। এই নীতির ভিত্তিতে দেশগুলোর একটি জোট গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের সবার স্বার্থে জরুরি। কারণ ইরানের যুদ্ধ যা ঘটছে, তা আমাদের প্রত্যেকের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ কারণেই দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দরকার, সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় দরকার, পাশাপাশি কিছু সামরিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। আজ আমরা সেটিই করতে একত্র হচ্ছি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাকরন প্রায় ৪০টি দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক মিশন গঠন করা।