ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্তমান রমজানে পানিশূন্যতা দূর করবে যে ৭ শরবত

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হচ্ছে শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে ও সুস্থ থাকতে ইফতারে পুষ্টিকর শরবত অপরিহার্য। ডাব ও লেবুপানি বা তরমুজের শরবত, তোকমা দানা ও ইসবগুলের ভুসি এবং কাঠবাদাম ও দুধের শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড ও চাঙা রাখে। এগুলো ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
তাই শরীরের পানির চাহিদা মেটাতে ঠান্ডা ঠান্ডা কয়েকটি পুষ্টিকর শরবত ইফতারে রাখা যেতে পারে।
১. পুদিনাপাতা দিয়ে তরমুজ শরবত
তরমুজে রয়েছে ইলেক্ট্রোলাইটের সঠিক সামঞ্জস্য। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। আর পুদিনাপাতা আমাদের পিত্তানালীর প্রবাহকে সঠিক মাত্রায় বজায় রাখতে সাহায্য করে ও হজমে সহায়তা করে।
২. লাল আঙুরের শরবত
এটি একটি প্রাকৃতিক মিষ্টিজাতীয় ফল, যা আমাদের শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও থাকে, যা আমাদের শরীরের প্রদাহকে কমায়।
৩. আদা দিয়ে লেবুর শরবত
রোজার সময় গা বমি বমি ভাব আটকাতে এ শরবত খুবই উপকারী। এ ছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে থাকে।
৪. স্ট্রবেরি ও দইয়ের শরবত
স্ট্রবেরি হলো ভিটামিন সিয়ে ভরপুর এবং দইয়ে থাকে প্রিবায়োটিক। তাই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ শরবত আমাদের অন্ত্রকেও রাখবে ভালো।
৫. কাঠবাদাম দিয়ে দুধের শরবত
কাঠবাদামে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ‘ই’ এবং ফাইবার। অন্যদিকে দুধে রয়েছে ক্যালশিয়াম। তাই অনেকটা সময় রোজা রাখার পর এই দুয়ের সংমিশ্রণ আমাদের শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
৬. শসার শরবত
শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে এটি টক্সিক উপাদানগুলো মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয় এবং শরীরকে আর্দ্র রাখে।
৭. পেয়ারার শরবত
পেয়ারা ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ ও যথেষ্ট কম। তাই একটু ভিন্ন স্বাদের এ শরবত খাওয়া যেতেই পারে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বর্তমান রমজানে পানিশূন্যতা দূর করবে যে ৭ শরবত

আপডেট সময় : ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বর্তমান আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হচ্ছে শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে ও সুস্থ থাকতে ইফতারে পুষ্টিকর শরবত অপরিহার্য। ডাব ও লেবুপানি বা তরমুজের শরবত, তোকমা দানা ও ইসবগুলের ভুসি এবং কাঠবাদাম ও দুধের শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড ও চাঙা রাখে। এগুলো ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
তাই শরীরের পানির চাহিদা মেটাতে ঠান্ডা ঠান্ডা কয়েকটি পুষ্টিকর শরবত ইফতারে রাখা যেতে পারে।
১. পুদিনাপাতা দিয়ে তরমুজ শরবত
তরমুজে রয়েছে ইলেক্ট্রোলাইটের সঠিক সামঞ্জস্য। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। আর পুদিনাপাতা আমাদের পিত্তানালীর প্রবাহকে সঠিক মাত্রায় বজায় রাখতে সাহায্য করে ও হজমে সহায়তা করে।
২. লাল আঙুরের শরবত
এটি একটি প্রাকৃতিক মিষ্টিজাতীয় ফল, যা আমাদের শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও থাকে, যা আমাদের শরীরের প্রদাহকে কমায়।
৩. আদা দিয়ে লেবুর শরবত
রোজার সময় গা বমি বমি ভাব আটকাতে এ শরবত খুবই উপকারী। এ ছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে থাকে।
৪. স্ট্রবেরি ও দইয়ের শরবত
স্ট্রবেরি হলো ভিটামিন সিয়ে ভরপুর এবং দইয়ে থাকে প্রিবায়োটিক। তাই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ শরবত আমাদের অন্ত্রকেও রাখবে ভালো।
৫. কাঠবাদাম দিয়ে দুধের শরবত
কাঠবাদামে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ‘ই’ এবং ফাইবার। অন্যদিকে দুধে রয়েছে ক্যালশিয়াম। তাই অনেকটা সময় রোজা রাখার পর এই দুয়ের সংমিশ্রণ আমাদের শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
৬. শসার শরবত
শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে এটি টক্সিক উপাদানগুলো মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয় এবং শরীরকে আর্দ্র রাখে।
৭. পেয়ারার শরবত
পেয়ারা ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ ও যথেষ্ট কম। তাই একটু ভিন্ন স্বাদের এ শরবত খাওয়া যেতেই পারে।