ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকা মন্দিরের সামনে গলাকাটা লাশ

প্রিন্ট নিউজ :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া সিংগীমারি শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত প্রভাত চন্দ্র রায় একই এলাকার নীলকান্ত রায়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দিরের সামনে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী বিষয়টি জলঢাকা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও সঠিক কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন।

জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জলঢাকা মন্দিরের সামনে গলাকাটা লাশ

আপডেট সময় : ০৮:১৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া সিংগীমারি শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত প্রভাত চন্দ্র রায় একই এলাকার নীলকান্ত রায়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দিরের সামনে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী বিষয়টি জলঢাকা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও সঠিক কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন।

জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।